প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং দেশ ছেড়েছেন বলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবর অনুযায়ী, তিনি তাঁর বোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইতোমধ্যে দেশ ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (৫ আগস্ট) বেলা আড়াইটার দিকে বঙ্গভবন থেকে একটি সামরিক হেলিকপ্টার শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাত্রা করে। ওই সময় তাঁর সঙ্গে তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাও ছিলেন। সূত্রমতে, তাঁরা হেলিকপ্টারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

এদিকে, দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সেনাপ্রধানের আলোচনা চলছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর পরিচালক শাম্মী আহমেদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংকট নিরসনে দেশের সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের আলোচনা চলছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা এবং তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা গণভবন থেকে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। শেখ হাসিনা যাওয়ার আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন, তবে তিনি সে সুযোগ পাননি।

গণমাধ্যমের সূত্রমতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও আন্দোলনের কারণে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ত্যাগের খবর জনগণের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন মহলে এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ও কৌতূহল বাড়ছে। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জনগণের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ বাড়ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

                                                         

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হবে এবং সেনাপ্রধানের উদ্যোগে চলমান আলোচনার ফলাফল কী হবে তা নিয়ে সকলের দৃষ্টি রয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য সকলের মধ্যে আগ্রহ এবং কৌতূহল বাড়ছে।